মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

খাল ও নদী

আমাদের ইউনিয়নটি তিন দিক থেকে নদী বেষ্টন করে আছে।পূর্বে-বিসনা নদী, দক্ষিণে-কুমারখালী নদী, পশ্চিমে-দাউদ খালী নদী এর শাখা প্রশাখা অসংখ্যা ছোট-বড় খাল বিল প্রবাহিত হয়ে গেছে।

 

“দাউদ খালী নদী”

বাগেরহাট জেলার রামপাল-মোংলা উপজেলা সমূদ্র সৈকত ও সুন্দর বনের ছায়া ঘেরা বিস্তৃত এলাকা, এই উপজেলা দু‌‍‌‍‌‌‌‍‍’টি বাংলাদেশের অধিকাংশ উপজেলার মধ্যে এই উপজেলা দুইটির খুবই সু-নাম রয়েছে। বঙ্গোপ সাগর থেকে উঠে আসা পশুর নদী মোংলা বন্দর হতে খুলনা অভিমূখে এর গতীবিধ। মোংলা বন্দরের মোহনা দিয়েই উঠে আসা কুমার খালী নদী। কুমার খালী নদীর ৮.৫ কি:মি: উত্তর-পূর্বে রামপাল উপজেলা অবস্থিত। রামপাল উপজেলার পার্শ্ব ঘেসে দাউদ খালী নদীটি উত্তরে অগ্রসর পযাক্রমে মোড় বাঁকায়ে সরাসরি ফয়লা হাট হয়ে ফকিরহাট উপজেলায় গিয়ে এর শাখা-প্রশাখা বিস্তার লাভ করে। এই নদীটি ছোট হলেও অনেক গভীরতা স্রোতের ডাক প্রচন্ড, খে-য়া পারের মাঝিরা এপার থেকে ওপার যেতে হিম-সিম খেয়ে যেতে হত। কিন্তু.... আজ এ নদী আমাদের দাউদ খালী নদীতো দুরের কথা খালের কথা বলতে আমাদের লজ্জা বোধ হয়। শুধু বুক ভরা বেদনা নিয়েই নদীটির দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু করণীয় নেই। দু:খ জনক কথাটি হলো যে, এ ভাবে নদীগুলো পলি মাটিতে ভরাট হয়ে গেলে বাংলাদেশের মানচিত্র নদী মাতৃক দেশ একথাটির তাৎপয রইল কোথায়। তাই আমরা দেশের জনগণ ও সরকারে সহযোগীতায় এই ভাবে নদী ভরাট থেকে বাঁচিবার কোন একটা উপায় বের করতে চাই। সমগ্র বাংলাদেশের জনসাধরণের প্রতি এই বিষয়টিকে লক্ষরেখে আমার উদ্যত আহবান রইল ।

 

প্রাচারে-বাঁশতলী ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter